ব্যাপক পরিবর্তন জাতীর জীবনে প্রত্যাশিত নয় কিন্তু পরিবর্তন প্রয়োজনকে পূর্ন করে। প্রয়োজন একই সমতায় platform সীমিত না থেকে নানা ধারনায় অথবা দাবী দাওয়ায় তা বিভক্ত হয়ে যায় ।কিন্তু অপরপক্ষে এমন বাস্তবতার মধ্যেও ব্যাক্তির সাদামাটা প্রয়োজনও অনেকসময় দেখা যায় যে মানব সমাজের সাধারন স্বীকৃতিটকু পাচ্ছে না। এটা অদ্ভুদ। এতদসত্বেও নানান বিকৃত প্রয়োজনকে পূরনে তৎপর হতে দেখা যায় অনেক মানুষকে।
জীবন কোন ইক্যুয়েশন চিহ্নের উভয়দিকের সমাধান মিলানো নয়। জীবন হচ্ছে নানামুখী সম্ভাবনার মধ্যে বসবাস এতদসত্বেও সুনিদৃস্ট করে দেয়া সীমায় বসবাসকে মেনে নেয়া এবং বাস্তব পরাবাস্তব সব মিলিয়ে এক হওয়া এবং অতঃপর অতীন্দ্রিয় সকল মান্যতাকেও সঙ্গে নিয়ে পথচলা। অর্থাৎ কিনা নিজেকে আপন সীমানার বাইরেও গন্ডীবদ্ধ করে রাখার যে হতাশা সে হতাশাকে উত্তরন এবং সমস্টিগত ভাবে উত্তরনে সকল প্রচেস্টা চালিয়ে যাওয়া এবং সবশেষে প্রত্যাশার বাস্তবায়ন এটাই হল এই সংক্ষিপ্ত জীবন। তারপরও জীবনের হিসাব মিলাতে হয় এবং অজানাকে জেনে নিতে অসংখ্য গানিতিক সূত্রের প্রয়োজন।
মানুষের ধীশক্তি বা ধারনার মধ্যে তিন ধরনের সত্য বিরাজমান। প্রথম সত্য হল মানুষ হচ্ছে vigilant বা সে সবই দেখে এখন। কিন্তু যদি বলা হয়ে থাকে যে মানুষ দেখতে পাচ্ছে তখন সেটা কিন্তু ভিন্ন বিচার্য্য। দ্বিতীয় সত্যটি হচ্ছে মানুষ কর্মময় হয়ে যায় কোন না কোন কেন্দ্রবিন্দুতে center point। আর সব শেষের বিষয়টা হচ্ছে মানুষের লিখে রাখা বিষয়াবলী অথবা এই প্রবনতা।কলম পেশা অথবা লেখনীর প্রবনতা। যেমন ইতিহাস লিখে রাখা অথবা প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের সংযোজন ইত্যাদি। এই তিন প্রকার অনুধাবনের মধ্যে প্রত্যেকটি কর্মপদ্ধতি আপাতঃ দৃস্টিতে স্বাধীন সত্বা এবং এর একটি অপরটির দ্বারা কোনমতেই প্রভাবিত হয় না।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন